৭ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (১-৩০)
১। তথ্য প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার কী?
তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করার সময় যেসব সতর্কতা ও সঠিক নিয়ম মেনে চলা উচিত, তাই হলো নিরাপদ ব্যবহার।
২। নৈতিক ব্যবহার কী?
তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে সঠিক ও ভদ্র আচরণ এবং অন্যের ক্ষতি না করাকে নৈতিক ব্যবহার বলে।
৩। সাইবার অপরাধ কাকে বলে?
কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে কোনো অন্যায় বা অপরাধমূলক কাজ করাকে সাইবার অপরাধ বলে।
৪। ইন্টারনেটে নিজের তথ্য গোপন রাখা কেন জরুরি?
নিজের তথ্য গোপন না রাখলে তা চুরি হয়ে সাইবার অপরাধের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৫। ভুয়া ওয়েবসাইট কী?
যে ওয়েবসাইট মানুষকে প্রতারণা বা তথ্য চুরির জন্য তৈরি করা হয়, তাকে ভুয়া ওয়েবসাইট বলে।
৬। স্প্যাম মেইল কী?
অপ্রয়োজনীয় বা অবাঞ্ছিত ই-মেইলকে স্প্যাম মেইল বলা হয়।
৭। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সতর্কতা কী কী?
অচেনা লিংকে ক্লিক না করা, ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করা, অশালীন কিছু পোস্ট না করা।
৮। কম্পিউটার ভাইরাস কাকে বলে?
কম্পিউটারকে ক্ষতি করতে পারে এমন প্রোগ্রাম বা কোডকে কম্পিউটার ভাইরাস বলে।
৯। অ্যান্টিভাইরাস কী?
একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার ভাইরাস শনাক্ত করে এবং মুছে ফেলে।
১০। ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে তথ্য প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার কেন জরুরি?
সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নত প্রযুক্তি চর্চা বজায় রাখার জন্য এটি জরুরি।
১১। সাইবার অপরাধ থেকে বাঁচার উপায় কী?
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, নিরাপদ সাইটে তথ্য দেওয়া, অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার ইত্যাদি।
১২। ফিশিং কী?
ভুয়া লিংকের মাধ্যমে প্রতারণা করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হলো ফিশিং।
১৩। হ্যাকিং কাকে বলে?
অনুমতি ছাড়া অন্যের কম্পিউটার বা তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করাকে হ্যাকিং বলে।
১৪। আইপি ঠিকানা কী?
ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসের আলাদা নম্বর যা তাকে শনাক্ত করে, তাকে আইপি ঠিকানা বলে।
১৫। ডিজিটাল পদচিহ্ন কী?
ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট ব্যবহারকালে রেখে যাওয়া সকল রেকর্ড ডিজিটাল পদচিহ্ন।
১৬। কম্পিউটার ভাইরাসের লক্ষণ কী কী?
কম্পিউটার ধীর হয়ে যাওয়া, অপ্রত্যাশিত বার্তা আসা, ফাইল ডিলিট হওয়া ইত্যাদি।
১৭। স্প্যাইওয়্যার কী?
এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে তথ্য সংগ্রহ করে ও প্রেরণ করে।
১৮। অনলাইন হয়রানি কী?
ইন্টারনেটে কাউকে হুমকি, অপমান বা অপমানজনক বার্তা প্রেরণ অনলাইন হয়রানি।
১৯। স্মার্টফোন নিরাপদ রাখার উপায় কী?
লক ব্যবহার, অচেনা অ্যাপ ইনস্টল না করা, নিয়মিত আপডেট ও ব্যাকআপ রাখা।
২০। সতর্ক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হতে কী কী মানতে হবে?
সঠিক তথ্য যাচাই, গুজব শেয়ার না করা, নিরাপদ ওয়েবসাইট ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।
২১। ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করলে কী সমস্যা হতে পারে?
হ্যাকার বা প্রতারকেরা সেই তথ্য ব্যবহার করে ক্ষতি করতে পারে।
২২। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়ালে কী হয়?
মানুষ বিভ্রান্ত হয় এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
২৩। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও অনলাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য।
২৪। নিরাপদ পাসওয়ার্ড তৈরির নিয়ম কী?
বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন মিশিয়ে জটিল পাসওয়ার্ড তৈরি করা।
২৫। সতর্কতা ছাড়া ইমেইল খোলার ঝুঁকি কী?
ভাইরাস ঢুকতে পারে, ফিশিং হতে পারে, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে।
২৬। অনলাইনে অপরের ছবি বা তথ্য ব্যবহার করলে কী হয়?
এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে এবং আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য।
২৭। ভুয়া একাউন্ট ব্যবহার করে কী ধরনের সমস্যা হতে পারে?
মিথ্যা তথ্য ছড়ানো, হয়রানি, প্রতারণা এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ।
২৮। সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত?
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।
২৯। কম্পিউটারে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার না করলে কী হতে পারে?
ভাইরাস ঢুকে তথ্য নষ্ট হতে পারে বা চুরি হয়ে যেতে পারে।
৩০। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্কতা কেন প্রয়োজন?
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ক্ষতি বা প্রতারণা থেকে বাঁচতে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন