🏠 Home | ইসলামিক | SEO | Grammar | Health | Education | Contact

বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও ICT: গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর (নবম-দশম শ্রেণি)

এফ এস সেন্টার

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও ICT: গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (নবম-দশম শ্রেণি)

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও সাইবার নিরাপত্তা

১. কম্পিউটারের রক্ষণাবেক্ষণের দুটি প্রধান বিষয় কী কী?

কম্পিউটারের রক্ষণাবেক্ষণের দুটি প্রধান বিষয় হলো:

  • প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Preventive maintenance)
  • সংশোধনমূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Corrective maintenance)

২. প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Preventive maintenance) বলতে কী বোঝায়?

প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ হলো কম্পিউটারের ফল্ট বা সমস্যা তৈরি হওয়ার পূর্বেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে সমস্যাগুলোকে এড়ানো। যেমন- ডিস্ক ক্লিনআপ, ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টেশন ইত্যাদি।

৩. সংশোধনমূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Corrective maintenance) কখন প্রয়োজন হয়?

কম্পিউটারে ফল্ট বা সমস্যা তৈরি হওয়ার পর তা মেরামতের জন্য সংশোধনমূলক রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয়। যেমন- হার্ডওয়্যারের মেরামত বা সফটওয়্যার পরিবর্তন।

৪. অ্যান্টিভাইরাস কী? এটি কম্পিউটারের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অ্যান্টিভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদির আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এটি কম্পিউটারের তথ্য ও ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং কম্পিউটারকে সচল রাখতে সাহায্য করে, তাই এটি গুরুত্বপূর্ণ।

৫. অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার কী?

অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার হলো একটি সফটওয়্যার, যা বিভিন্ন ম্যালিশিয়াস সফটওয়্যার (যেমন ভাইরাস, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার) থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করে এবং সেগুলোকে চিহ্নিত করে মুছে ফেলে।

৬. লাইসেন্সিং অ্যাক্ট কী?

লাইসেন্সিং অ্যাক্ট বলতে সাধারণত সেই আইনি প্রক্রিয়াকে বোঝায়, যার মাধ্যমে কোনো সফটওয়্যার বা প্রযুক্তির ব্যবহারের জন্য অনুমতি বা লাইসেন্স দেওয়া হয়। এটি অননুমোদিত ব্যবহার রোধ করে। (এখানে ১৬৬২ সালের 'লাইসেন্সিং অব দ্য প্রেস অ্যাক্ট' এর মতো আইনকে বোঝানো হতে পারে, যা মুদ্রণ ও প্রকাশনার উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছিল)।

৭. সফটওয়্যার ইন্সটলেশনের পূর্বে কোন বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন?

সফটওয়্যার ইন্সটলেশনের পূর্বে যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন:

  • সফটওয়্যারটি সিস্টেমের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার কনফিগারেশনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা।
  • readme ফাইল পড়ে কাজের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নেওয়া।
  • ইন্সটলেশনের সময় অন্য কোনো কাজ না করা।
  • অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার বন্ধ রাখা।
  • অপারেটিং সিস্টেমের অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের অনুমতি নেওয়া।

৮. Auto Run কমান্ড কী কাজে লাগে?

Auto Run কমান্ড সাধারণত CD/DVD বা USB ড্রাইভ প্রবেশ করালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো প্রোগ্রাম বা সেটআপ ফাইল রান করার অনুমতি দেয়। সফটওয়্যার ইন্সটলেশনের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

৯. সফটওয়্যার আনইন্সটলেশন কেন করা প্রয়োজন হয়?

সফটওয়্যার আনইন্সটলেশন প্রয়োজন হয় যখন কোনো সফটওয়্যার আর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না, হার্ডডিস্কের জায়গা খালি করার জন্য, অথবা নতুন সংস্করণের সফটওয়্যার ব্যবহার করার জন্য পুরোনো সফটওয়্যার মুছে ফেলার জন্য।

১০. অপারেটিং সিস্টেম থেকে সফটওয়্যার আনইন্সটল করার সাধারণ ধাপগুলো কী কী?

অপারেটিং সিস্টেম থেকে সফটওয়্যার আনইন্সটল করার সাধারণ ধাপগুলো হলো:

  • প্রথমে স্টার্ট বাটন থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে যেতে হবে।
  • তারপর 'Add or Remove Programs' বা 'Uninstall a program' এ ডাবল ক্লিক করতে হবে।
  • অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যারটি খুঁজে সিলেক্ট করে আনইন্সটল করতে হবে।

১১. রেজিস্ট্রি এডিটর কী?

রেজিস্ট্রি এডিটর (Registry Editor) হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি ইউটিলিটি টুল, যা সিস্টেম রেজিস্ট্রি ডেটাবেস পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়। সিস্টেমে ইনস্টল করা সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখানে জমা থাকে।

১২. কোনো সফটওয়্যার সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলার জন্য রেজিস্ট্রি থেকে কিছু মুছে ফেলার প্রয়োজন হয় কেন?

সফটওয়্যার আনইন্সটল করার পরেও কিছু ফাইল, ফোল্ডার বা রেজিস্ট্রি এন্ট্রি সিস্টেমে থেকে যেতে পারে, যা ভবিষ্যতের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সম্পূর্ণরূপে মুছে ফেলার জন্য রেজিস্ট্রি থেকে সংশ্লিষ্ট এন্ট্রিগুলো ডিলিট করার প্রয়োজন হতে পারে।

১৩. রেজিস্ট্রি থেকে কোনো এন্ট্রি ডিলিট করার ধাপগুলো কী কী?

রেজিস্ট্রি থেকে কোনো এন্ট্রি ডিলিট করার ধাপগুলো হলো:

  • Run কমান্ড চালু করতে Ctrl+R চাপুন এবং 'regedit' টাইপ করে OK চাপুন।
  • প্রথমে রেজিস্ট্রি ফাইল এক্সপোর্ট (ব্যাকআপ) করে নিতে হবে।
  • অপ্রয়োজনীয় এন্ট্রিগুলো খুঁজে ডিলিট করতে হবে (সাবধানতার সাথে)।

১৪. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব বর্ণনা করো।

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বজায় রাখে, ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়, ডেটা সুরক্ষিত রাখে, এবং কম্পিউটারের আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি করে। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কম্পিউটার ধীরগতির হতে পারে বা ক্র্যাশ করতে পারে।

১৫. র‍্যাম (RAM) এর কাজ কী? কম্পিউটারে এর প্রভাব কী?

র‍্যাম (Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমরি, যেখানে চলমান প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকে। র‍্যামের পরিমাণ কম হলে কম্পিউটার ধীরগতি হয় এবং বেশি র‍্যাম থাকলে কম্পিউটার দ্রুত কাজ করে, কারণ এটি একই সময়ে বেশি প্রোগ্রাম ও ডেটা লোড করতে পারে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) - অন্যান্য ধারণা

১. ইন্টারনেট কী?

ইন্টারনেট হলো পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।

২. ডিজিটাল কন্টেন্ট কী? এটি কত প্রকার ও কী কী?

যেকোনো কন্টেন্ট যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রচারিত হয়, তবে তাকে ডিজিটাল কন্টেন্ট বলে। ডিজিটাল কন্টেন্ট প্রধানত চার প্রকার: ১. টেক্সট বা লিখিত কন্টেন্ট, ২. ছবি, ৩. শব্দ বা অডিও, ৪. ভিডিও ও অ্যানিমেশন।

৩. ই-বুক কাকে বলে? ই-বুক ব্যবহারের দুটি সুবিধা লেখো।

ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ যা কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে পড়া যায়। ই-বুক ব্যবহারের দুটি সুবিধা হলো:

  • ই-বুক ডাউনলোডের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য পাওয়া সম্ভব।
  • ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় বলে কোনো ধরনের লাইব্রেরি বা কক্ষের প্রয়োজন নেই, কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস থাকলেই ই-বুক সহজে সংরক্ষণ করা যায়।

৪. ওয়েব ব্রাউজার কী? দুটি ওয়েব ব্রাউজারের নাম লেখো।

ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার, যার সাহায্যে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। দুটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার হলো: গুগল ক্রোম (Google Chrome) এবং মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox)।

৫. URL এর পূর্ণরূপ কী?

URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resources Locator (ইউনিফর্ম রিসোর্স লোকেটর)।

৬. হোম পেজ ও বুকমার্ক বলতে কী বোঝায়?

  • **হোম পেজ:** কোনো প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা ব্যক্তির ওয়েবসাইটের মূল বা প্রথম পাতাকে হোম পেজ বলে।
  • **বুকমার্ক:** বুকমার্ক হলো একটি ওয়েব পেজ লিস্ট, যেখানে পছন্দের বা বারবার দেখা হয় এমন ওয়েব পেজগুলো সেভ করে রাখা যায়, যাতে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।

৭. সার্চ ইঞ্জিন কী? এর দুটি উদাহরণ দাও।

সার্চ ইঞ্জিন হলো একটি সফটওয়্যার টুল, যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে ব্যবহারকারীর দেওয়া নির্দিষ্ট শব্দ (কীওয়ার্ড) অনুযায়ী তথ্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। দুটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হলো: গুগল (Google) এবং বিং (Bing)।

৮. HTTP এবং HTTPS এর পূর্ণরূপ লেখো।

  • HTTP: Hypertext Transfer Protocol (হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল)
  • HTTPS: Hypertext Transfer Protocol Secure (হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল সিকিউর)

৯. ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্ট এর মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

ওয়েব সার্ভার হলো একটি প্রোগ্রাম যা ওয়েব পেজ সরবরাহ করে, আর ওয়েব ক্লায়েন্ট (যেমন ওয়েব ব্রাউজার) হলো সেই প্রোগ্রাম যা সার্ভার থেকে ওয়েব পেজ অনুরোধ করে ও প্রদর্শন করে। ক্লায়েন্ট সার্ভারকে অনুরোধ পাঠায় এবং সার্ভার সেই অনুরোধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ডেটা পাঠায়।

১০. ডোমেইন বলতে কী বোঝায়?

ডোমেইন হলো ওয়েবসাইটের একটি অনন্য নাম যা ইন্টারনেটে তার ঠিকানা নির্দেশ করে। যেমন: google.com, wikipedia.org ইত্যাদি। এটি একটি আইপি অ্যাড্রেসের ব্যবহারকারী-বান্ধব সংস্করণ।

১১. ই-লার্নিং কাকে বলে?

ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ পদ্ধতি। ইন্টারনেট, কম্পিউটার ও ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে ঘরে বসে বা দূর থেকে শিক্ষা গ্রহণ করাকে ই-লার্নিং বলে।

১২. আউটসোর্সিং কী?

আউটসোর্সিং হলো কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ (যেমন - ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডেটা এন্ট্রি) বাইরের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে করানো, সাধারণত ইন্টারনেটের মাধ্যমে।

© ২০২৫ আপনার ব্লগের নাম। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর (নবম-দশম শ্রেণি) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর (নবম-দশম শ্রেণি)

এফ এস সেন্টার

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (নবম-দশম শ্রেণি)

ইন্টারনেট ও ডিজিটাল কন্টেন্ট

১. ইন্টারনেট কী?

ইন্টারনেট হলো পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।

২. ডিজিটাল কন্টেন্ট কাকে বলে?

যেকোনো কন্টেন্ট যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রচারিত হয়, তবে তাকে ডিজিটাল কন্টেন্ট বলে। ডিজিটাল কন্টেন্ট কম্পিউটার, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহারযোগ্য।

৩. ডিজিটাল কন্টেন্ট কয় প্রকার ও কী কী?

ডিজিটাল কন্টেন্ট প্রধানত চার প্রকার: ১. টেক্সট বা লিখিত কন্টেন্ট, ২. ছবি, ৩. শব্দ বা অডিও, ৪. ভিডিও ও অ্যানিমেশন।

৪. টেক্সট বা লিখিত কন্টেন্ট বলতে কী বোঝায়? উদাহরণ দাও।

লিখিত তথ্যের পরিমাণ বেশি হলে তাকে টেক্সট বা লিখিত কন্টেন্ট বলে। এর মধ্যে রয়েছে নিবন্ধ, ব্লগ পোস্ট, পণ্য বা সেবার তালিকা ও বর্ণনা, পণ্যের মূল্যায়ন, ই-বুক সংবাদপত্র, শ্বেতপত্র ইত্যাদি।

৫. শব্দ বা অডিও কন্টেন্টের দুটি উদাহরণ দাও।

শব্দ বা অডিও কন্টেন্টের দুটি উদাহরণ হলো: যেকোনো ধরনের অডিও ফাইল এবং পডকাস্ট।

৬. ভিডিও ও অ্যানিমেশন বলতে কী বোঝায়?

ভিডিও কন্টেন্ট হলো সরাসরি চলমান চিত্র এবং অ্যানিমেশন হলো ডিজিটাল উপায়ে তৈরি চলমান চিত্র বা ছবি। বর্তমানে মোবাইল ফোন ও ভিডিও ব্যবস্থা থাকায় ভিডিও কন্টেন্টের পরিমাণ বাড়ছে।

ই-বুক ও তার ব্যবহার

৭. ই-বুক কী?

ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ। এটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয় যা কেবল ই-বই নয়, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদিও জুড়ে দেয়। সাধারণত এটি কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে পড়া যায়।

৮. ই-বুক ব্যবহারের দুটি সুবিধা উল্লেখ করো।

ই-বুক ব্যবহারের দুটি সুবিধা হলো:

  • ই-বুক ডাউনলোডের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য পাওয়া সম্ভব।
  • ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় বলে কোনো ধরনের লাইব্রেরি বা কক্ষের প্রয়োজন নেই, কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস থাকলেই ই-বুক সহজে সংরক্ষণ করা যায়।

৯. ই-বুক কত প্রকার ও কী কী?

ই-বুক বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে, যেমন: ১. পিডিএফ (PDF), ২. ইপাব (EPUB), ৩. টকিং ই-বুক, ৪. ভিডিও অ্যানিমেটেড ই-বুক, ৫. স্মার্ট ই-বুক।

১০. মুদ্রিত বই ও ই-বুকের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?

মুদ্রিত বই কাগজে ছাপা হয় এবং এটি স্পর্শযোগ্য। অন্যদিকে ই-বুক ইলেকট্রনিক ফরম্যাটে থাকে যা কম্পিউটার, ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে পড়তে হয়। ই-বুক সহজে সংরক্ষণ ও বহনযোগ্য।

১১. পিডিএফ (PDF) ও ইপাব (EPUB) ফরম্যাট বলতে কী বোঝায়?

পিডিএফ (Portable Document Format) হলো একটি ফাইল ফরম্যাট যা বিভিন্ন ডিভাইসে একইরকমভাবে ডকুমেন্ট প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ইপাব (Electronic Publication) হলো একটি জনপ্রিয় ই-বুক ফরম্যাট যা বিভিন্ন ডিভাইসে ফ্লেক্সিবল লেআউটের সুবিধা দেয়।

১২. টকিং ই-বুক কী?

টকিং ই-বুক হলো এমন ই-বুক যেখানে লিখিত তথ্যের পাশাপাশি অডিও/ভিডিও/অ্যানিমেশন ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে। এতে ব্যবহারকারীরা পড়তে না পারলেও শুনতে পারে।

ওয়েব ব্রাউজিং ও অন্যান্য ধারণা

১৩. ওয়েব ব্রাউজার কী? দুটি ওয়েব ব্রাউজারের নাম লেখো।

ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার, যার সাহায্যে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। দুটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার হলো: গুগল ক্রোম (Google Chrome) এবং মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox)।

১৪. URL এর পূর্ণরূপ কী? এটি কিসের ঠিকানা?

URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resources Locator (ইউনিফর্ম রিসোর্স লোকেটর)। এটি ওয়েবসাইটের প্রতিটি ওয়েব পেজের স্বতন্ত্র ঠিকানা।

১৫. হোম পেজ (Home Page) বলতে কী বোঝায়?

কোনো প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা ব্যক্তির ওয়েবসাইটের মূল বা প্রথম পাতাকে হোম পেজ বলে। এটি ব্রাউজারে ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস টাইপ করলে প্রদর্শিত হয়।

১৬. বুকমার্ক (Bookmark) কী?

বুকমার্ক হলো একটি ওয়েব পেজ লিস্ট, যেখানে পছন্দের বা বারবার দেখা হয় এমন ওয়েব পেজগুলো সেভ করে রাখা যায়, যাতে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।

১৭. রিলোড/রিফ্রেশ (Reload/Refresh) কমান্ডের কাজ কী?

রিলোড/রিফ্রেশ কমান্ডের মাধ্যমে ওয়েব পেজের তথ্যকে নতুন করে লোড বা আপডেট করা হয়। কোনো ওয়েব পেজে নতুন তথ্য দেখতে বা আপডেটের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

১৮. সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine) কী? দুটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম লেখো।

সার্চ ইঞ্জিন হলো একটি সফটওয়্যার টুল, যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে ব্যবহারকারীর দেওয়া নির্দিষ্ট শব্দ (কীওয়ার্ড) অনুযায়ী তথ্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। দুটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হলো: গুগল (Google) এবং বিং (Bing)।

ই-লার্নিং ও অন্যান্য

১৯. ই-লার্নিং (e-Learning) বলতে কী বোঝায়?

ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ পদ্ধতি। ইন্টারনেট, কম্পিউটার ও ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে ঘরে বসে বা দূর থেকে শিক্ষা গ্রহণ করাকে ই-লার্নিং বলে।

২০. আউটসোর্সিং (Outsourcing) কী?

আউটসোর্সিং হলো কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ (যেমন - ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডেটা এন্ট্রি) বাইরের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে করানো, সাধারণত ইন্টারনেটের মাধ্যমে।

২১. আইসিটি (ICT) কী?

আইসিটি (Information and Communication Technology) বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি হলো তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ, স্থানান্তর এবং ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত সকল ধরনের প্রযুক্তি।

২২. HTTP এবং HTTPS এর পূর্ণরূপ লেখো।

  • HTTP: Hypertext Transfer Protocol (হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল)
  • HTTPS: Hypertext Transfer Protocol Secure (হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল সিকিউর)

২৩. ওয়েব সার্ভার (Web Server) কী?

ওয়েব সার্ভার হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওয়েব পেজ (HTML ফাইল, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি) সরবরাহ করে। এটি ক্লায়েন্টের অনুরোধ গ্রহণ করে এবং তাদের কাছে ডেটা পাঠায়।

২৪. ক্লায়েন্ট (Client) কাকে বলে?

ক্লায়েন্ট হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন যা একটি সার্ভার থেকে তথ্য বা সেবা অনুরোধ করে। যেমন, ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি ওয়েব ক্লায়েন্ট।

২৫. ডোমেইন (Domain) বলতে কী বোঝায়?

ডোমেইন হলো ওয়েবসাইটের একটি অনন্য নাম যা ইন্টারনেটে তার ঠিকানা নির্দেশ করে। যেমন: google.com, wikipedia.org ইত্যাদি। এটি একটি আইপি অ্যাড্রেসের ব্যবহারকারী-বান্ধব সংস্করণ।

© ২০২৫ এফ এস সেন্টার । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫

ষষ্ঠ শ্রেণি - ইন্টারনেট পরিচিতি প্রশ্নোত্তর

ষষ্ঠ শ্রেণি - ইন্টারনেট পরিচিতি (৫০টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর)

ক্রম প্রশ্ন উত্তর
1ইন্টারনেট কী?একটি বৈশ্বিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
2ওয়েব পেজ কাকে বলে?ইন্টারনেটের প্রতিটি পৃষ্ঠা।
3ওয়েবসাইট কী?এক বা একাধিক ওয়েব পেজের সমষ্টি।
4ই-মেইল কী?ইলেকট্রনিক বার্তা প্রেরণের পদ্ধতি।
5ওয়েব ব্রাউজার কী?ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার।
6গুগল কী ধরনের ওয়েবসাইট?একটি সার্চ ইঞ্জিন।
7ইয়াহু কী?সার্চ ইঞ্জিন ও ই-মেইল প্রদানকারী।
8ওয়েব পোর্টাল কাকে বলে?তথ্য ও সেবার প্ল্যাটফর্ম।
9www এর পূর্ণরূপ কী?World Wide Web
10URL এর পূর্ণরূপ কী?Uniform Resource Locator
11ইন্টারনেট ব্যবহার করতে কী প্রয়োজন?ইন্টারনেট সংযোগ ও ডিভাইস।
12সার্চ ইঞ্জিন কী?তথ্য খোঁজার ইন্টারনেট টুল।
13মোবাইল ইন্টারনেট কী?মোবাইল নেটওয়ার্কে চালিত ইন্টারনেট।
14মডেম কী কাজে ব্যবহৃত হয়?ইন্টারনেট সংযোগে।
15ফেসবুক কী ধরনের সাইট?সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
16ইন্টারনেটের মাধ্যমে কীভাবে যোগাযোগ করা যায়?ই-মেইল, চ্যাট, ভিডিও কল।
17ইউটিউব কী ধরনের ওয়েবসাইট?ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট।
18ব্রাউজার বলতে কী বোঝায়?ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার।
19ইন্টারনেটের সাহায্যে পড়ালেখা কীভাবে হয়?অনলাইন ক্লাস, ভিডিও ও তথ্য দেখে।
20ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে?সার্ভার ও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।
21ইন্টারনেট কত সালে শুরু হয়?১৯৬৯ সালে।
22ইন্টারনেট গঠিত হয় কিসের উপর ভিত্তি করে?ARPANET এর উপর ভিত্তি করে।
23ইন্টারনেট ব্যবহারে নৈতিকতা কেন প্রয়োজন?সুরক্ষিত ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের জন্য।
24একটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম লিখ।Google
25একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম লিখ।Facebook
26ই-মেইলের মাধ্যমে কী করা যায়?বার্তা পাঠানো, ফাইল যুক্ত করা যায়।
27ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্কতা কেন প্রয়োজন?তথ্য চুরি ও অপরাধ রোধে।
28ছবি কীভাবে পাঠানো যায়?ই-মেইল বা মেসেঞ্জারে।
29ভিডিও কল কীভাবে করা যায়?Zoom, WhatsApp, Messenger ইত্যাদিতে।
30ওয়েবসাইট ও ওয়েব পেজের পার্থক্য কী?ওয়েবসাইট অনেক ওয়েব পেজের সমষ্টি।
31ইন্টারনেটের উপকারিতা কী?শিক্ষা, যোগাযোগ, তথ্য সংগ্রহ।
32ইন্টারনেটের অপকারিতা কী?আসক্তি, ভুয়া তথ্য, অপরাধ।
33IP address কী?প্রতিটি ডিভাইসের ইউনিক ইন্টারনেট ঠিকানা।
34Social Media কী?অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম।
35Broadband সংযোগ কী?উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ।
36Wi-Fi কী?তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা।
37Cloud storage কী?অনলাইনে তথ্য সংরক্ষণের পদ্ধতি।
38অনলাইন শিক্ষা কী?ইন্টারনেটে ভিত্তিক পাঠদান।
39গুগল ম্যাপ কী কাজে ব্যবহৃত হয়?অবস্থান ও পথ দেখাতে।
40VPN কী?নিরাপদ ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক সংযোগ।
41একটি জনপ্রিয় ব্রাউজারের নাম?Google Chrome
42ইন্টারনেট নিরাপত্তা কী?তথ্য ও অ্যাকাউন্ট সুরক্ষা ব্যবস্থা।
43ইনবক্স কী?ই-মেইলের বার্তা গ্রহণের অংশ।
44স্প্যাম মেইল কী?অপ্রয়োজনীয় ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল।
45ওয়েব অ্যাড্রেস কী?ওয়েবসাইটের ঠিকানা।
46ব্লগ কী?ব্যক্তিগত লেখার ওয়েবসাইট।
47ফাইল শেয়ারিং কীভাবে হয়?Google Drive বা ই-মেইলে।
48ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড কেন দরকার?অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তায়।
49সাইবার ক্রাইম কী?ইন্টারনেট ভিত্তিক অপরাধ।
50Responsible Netizen কাকে বলে?দায়িত্বশীল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।
৭ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি | নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার | সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

৭ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (১-৩০)

১। তথ্য প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার কী?

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করার সময় যেসব সতর্কতা ও সঠিক নিয়ম মেনে চলা উচিত, তাই হলো নিরাপদ ব্যবহার।

২। নৈতিক ব্যবহার কী?

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে সঠিক ও ভদ্র আচরণ এবং অন্যের ক্ষতি না করাকে নৈতিক ব্যবহার বলে।

৩। সাইবার অপরাধ কাকে বলে?

কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে কোনো অন্যায় বা অপরাধমূলক কাজ করাকে সাইবার অপরাধ বলে।

৪। ইন্টারনেটে নিজের তথ্য গোপন রাখা কেন জরুরি?

নিজের তথ্য গোপন না রাখলে তা চুরি হয়ে সাইবার অপরাধের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৫। ভুয়া ওয়েবসাইট কী?

যে ওয়েবসাইট মানুষকে প্রতারণা বা তথ্য চুরির জন্য তৈরি করা হয়, তাকে ভুয়া ওয়েবসাইট বলে।

৬। স্প্যাম মেইল কী?

অপ্রয়োজনীয় বা অবাঞ্ছিত ই-মেইলকে স্প্যাম মেইল বলা হয়।

৭। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সতর্কতা কী কী?

অচেনা লিংকে ক্লিক না করা, ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করা, অশালীন কিছু পোস্ট না করা।

৮। কম্পিউটার ভাইরাস কাকে বলে?

কম্পিউটারকে ক্ষতি করতে পারে এমন প্রোগ্রাম বা কোডকে কম্পিউটার ভাইরাস বলে।

৯। অ্যান্টিভাইরাস কী?

একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার ভাইরাস শনাক্ত করে এবং মুছে ফেলে।

১০। ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে তথ্য প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার কেন জরুরি?

সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নত প্রযুক্তি চর্চা বজায় রাখার জন্য এটি জরুরি।

১১। সাইবার অপরাধ থেকে বাঁচার উপায় কী?

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, নিরাপদ সাইটে তথ্য দেওয়া, অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার ইত্যাদি।

১২। ফিশিং কী?

ভুয়া লিংকের মাধ্যমে প্রতারণা করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হলো ফিশিং।

১৩। হ্যাকিং কাকে বলে?

অনুমতি ছাড়া অন্যের কম্পিউটার বা তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করাকে হ্যাকিং বলে।

১৪। আইপি ঠিকানা কী?

ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসের আলাদা নম্বর যা তাকে শনাক্ত করে, তাকে আইপি ঠিকানা বলে।

১৫। ডিজিটাল পদচিহ্ন কী?

ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট ব্যবহারকালে রেখে যাওয়া সকল রেকর্ড ডিজিটাল পদচিহ্ন।

১৬। কম্পিউটার ভাইরাসের লক্ষণ কী কী?

কম্পিউটার ধীর হয়ে যাওয়া, অপ্রত্যাশিত বার্তা আসা, ফাইল ডিলিট হওয়া ইত্যাদি।

১৭। স্প্যাইওয়্যার কী?

এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে তথ্য সংগ্রহ করে ও প্রেরণ করে।

১৮। অনলাইন হয়রানি কী?

ইন্টারনেটে কাউকে হুমকি, অপমান বা অপমানজনক বার্তা প্রেরণ অনলাইন হয়রানি।

১৯। স্মার্টফোন নিরাপদ রাখার উপায় কী?

লক ব্যবহার, অচেনা অ্যাপ ইনস্টল না করা, নিয়মিত আপডেট ও ব্যাকআপ রাখা।

২০। সতর্ক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হতে কী কী মানতে হবে?

সঠিক তথ্য যাচাই, গুজব শেয়ার না করা, নিরাপদ ওয়েবসাইট ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।

২১। ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করলে কী সমস্যা হতে পারে?

হ্যাকার বা প্রতারকেরা সেই তথ্য ব্যবহার করে ক্ষতি করতে পারে।

২২। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়ালে কী হয়?

মানুষ বিভ্রান্ত হয় এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

২৩। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও অনলাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য।

২৪। নিরাপদ পাসওয়ার্ড তৈরির নিয়ম কী?

বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন মিশিয়ে জটিল পাসওয়ার্ড তৈরি করা।

২৫। সতর্কতা ছাড়া ইমেইল খোলার ঝুঁকি কী?

ভাইরাস ঢুকতে পারে, ফিশিং হতে পারে, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে।

২৬। অনলাইনে অপরের ছবি বা তথ্য ব্যবহার করলে কী হয়?

এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে এবং আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য।

২৭। ভুয়া একাউন্ট ব্যবহার করে কী ধরনের সমস্যা হতে পারে?

মিথ্যা তথ্য ছড়ানো, হয়রানি, প্রতারণা এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ।

২৮। সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত?

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।

২৯। কম্পিউটারে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার না করলে কী হতে পারে?

ভাইরাস ঢুকে তথ্য নষ্ট হতে পারে বা চুরি হয়ে যেতে পারে।

৩০। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্কতা কেন প্রয়োজন?

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ক্ষতি বা প্রতারণা থেকে বাঁচতে।

কপিরাইট প্রশ্ন ও উত্তর

কপিরাইট সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

১. কপিরাইট বলতে কী বোঝায়?
কপিরাইট হলো একজন সৃষ্টিকর্তার বৌদ্ধিক বা সৃজনশীল কাজের ওপর আইনি সুরক্ষা, যাতে অন্য কেউ অনুমতি ছাড়া সেই কাজ কপি, ব্যবহার বা বিক্রয় করতে পারে না।
২. কারা কপিরাইটের সুবিধা ভোগ করে?
মূলত লেখক, শিল্পী, সঙ্গীতজ্ঞ, লেখক, ফটোগ্রাফার এবং যেকোনো সৃজনশীল কাজের স্রষ্টারা কপিরাইটের সুবিধা ভোগ করে।
৩. কপিরাইট কী ধরনের কাজকে সুরক্ষা প্রদান করে?
লেখা, গান, ছবি, নাচ, নাটক, চলচ্চিত্র, সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট ডিজাইনসহ যেকোনো মৌলিক সৃষ্টিকর্মকে সুরক্ষা প্রদান করে।
৪. কেন কপিরাইট আইনের প্রয়োজন হয়?
কারণ এটি সৃষ্টিকর্তার অধিকার রক্ষা করে, তাদের কাজের অবৈধ ব্যবহার রোধ করে এবং নতুন সৃজনশীলতা উৎসাহিত করে।
৫. লাইসেন্সিং অব দ্য প্রেস অ্যাক্ট কত সালে পাস হয়?
১৯১৮ সালে।
৬. কপিরাইট আইনের উদ্দেশ্য কী?
সৃষ্টিকর্তাদের কাজের মালিকানা রক্ষা করা এবং সৃজনশীল কাজের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।
৭. কপিরাইট লঙ্ঘন করলে কী হতে পারে?
আইনি ব্যবস্থা, অর্থদণ্ড, এবং গুরুতর ক্ষেত্রে কারাদণ্ড হতে পারে।
৮. সৃজনশীল কাজের জন্য কপিরাইট কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এটি স্রষ্টাকে তার কাজের মালিকানা দেয়, কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন নিশ্চিত করে এবং কপিরাইট লঙ্ঘন থেকে রক্ষা করে।
৯. গ্রন্থস্বত্ব ও কপিরাইটের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
গ্রন্থস্বত্ব হলো কোনো বই বা গ্রন্থের মালিকানা অধিকার, আর কপিরাইট হলো সেই গ্রন্থের বা যেকোনো সৃষ্টিকর্মের সুরক্ষা ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।
১০. সফটওয়্যার বা ডিজিটাল কাজের কপিরাইট কীভাবে সুরক্ষিত হয়?
আইনি নথি, নিবন্ধন ও ডিজিটাল রাইট ম্যানেজমেন্ট (DRM) প্রযুক্তির মাধ্যমে সফটওয়্যার ও ডিজিটাল কাজ সুরক্ষিত থাকে।

৮ম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার | সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন সহ উত্তর

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

১। তথ্য প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার কী?

কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করাকে তথ্য প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার বলে।

২। সাইবার অপরাধ কাকে বলে?

ইন্টারনেট বা কম্পিউটার ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধকে সাইবার অপরাধ বলে।

৩। সাইবার বুলিং কী?

ডিজিটাল মাধ্যমে কাউকে অপমান, ভয় দেখানো বা হেনস্তা করাকে সাইবার বুলিং বলে।

৪। কম্পিউটার ভাইরাস কী?

এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে সমস্যা সৃষ্টি করে।

৫। অ্যান্টিভাইরাস কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

ভাইরাস শনাক্ত ও মুছে ফেলার জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা হয়।

৬। আইসিটি নৈতিকতা কী?

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করতে গিয়ে কী করা উচিত আর কী করা অনুচিত তা বোঝাকে ICT নৈতিকতা বলে।

৭। ফিশিং কী?

ভুয়া ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়াকে ফিশিং বলে।

৮। স্প্যাম মেইল কী?

অপ্রয়োজনীয় বা অবাঞ্ছিত ই-মেইলকে স্প্যাম মেইল বলা হয়।

৯। ডিজিটাল পদচিহ্ন কী?

ইন্টারনেটে ব্যবহারকারীর সকল কার্যকলাপের রেকর্ডকে ডিজিটাল পদচিহ্ন বলা হয়।

১০। নিরাপদ পাসওয়ার্ড কেমন হওয়া উচিত?

সংখ্যা, বড় ও ছোট অক্ষর এবং চিহ্ন মিশিয়ে তৈরি জটিল পাসওয়ার্ড নিরাপদ পাসওয়ার্ড।

তথ্য প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার | অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন তথ্য প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার | অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

তথ্য প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার
অতিরিক্ত সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (১১-২০)

১১। সাইবার অপরাধ থেকে বাঁচার উপায় কী?

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, নিরাপদ সাইটে তথ্য দেওয়া, অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার ইত্যাদি।

১২। ফিশিং কী?

ভুয়া লিংকের মাধ্যমে প্রতারণা করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হলো ফিশিং।

১৩। হ্যাকিং কাকে বলে?

অনুমতি ছাড়া অন্যের কম্পিউটার বা তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশ করাকে হ্যাকিং বলে।

১৪। আইপি ঠিকানা কী?

ইন্টারনেটে প্রতিটি ডিভাইসের আলাদা নম্বর যা তাকে শনাক্ত করে, তাকে আইপি ঠিকানা বলে।

১৫। ডিজিটাল পদচিহ্ন কী?

ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট ব্যবহারকালে রেখে যাওয়া সকল রেকর্ড ডিজিটাল পদচিহ্ন।

১৬। কম্পিউটার ভাইরাসের লক্ষণ কী কী?

কম্পিউটার ধীর হয়ে যাওয়া, অপ্রত্যাশিত বার্তা আসা, ফাইল ডিলিট হওয়া ইত্যাদি।

১৭। স্প্যাইওয়্যার কী?

এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে তথ্য সংগ্রহ করে ও প্রেরণ করে।

১৮। অনলাইন হয়রানি কী?

ইন্টারনেটে কাউকে হুমকি, অপমান বা অপমানজনক বার্তা প্রেরণ অনলাইন হয়রানি।

১৯। স্মার্টফোন নিরাপদ রাখার উপায় কী?

লক ব্যবহার, অচেনা অ্যাপ ইনস্টল না করা, নিয়মিত আপডেট ও ব্যাকআপ রাখা।

২০। সতর্ক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হতে কী কী মানতে হবে?

সঠিক তথ্য যাচাই, গুজব শেয়ার না করা, নিরাপদ ওয়েবসাইট ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।

গণিত সমস্যার সমাধান - ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা

গণিত সমস্যার সমাধান: ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা

এখানে অনুশলনী ১৬.২ এর কিছু গাণিতিক সমস্যার বিস্তারিত সমাধান দেওয়া হলো। প্রতিটি ধাপ পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা সহজেই বুঝতে পারে এবং পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পেতে পারে।


অনুশীলনী ১৬.২

১. একটি আয়তাকারক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দ্বিগুণ। এর ক্ষেত্রফল 512 বর্গমিটার হলে, পরিসীমা নির্ণয় কর।

সমাধান:

ধরি, আয়তাকারক্ষেত্রের প্রস্থ = $x$ মিটার।

তাহলে, আয়তাকারক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = $2x$ মিটার।

আয়তাকারক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য $\times$ প্রস্থ

প্রশ্নমতে, $2x \times x = 512$
$2x^2 = 512$
$x^2 = \frac{512}{2}$
$x^2 = 256$
$x = \sqrt{256}$
$x = 16$

সুতরাং, প্রস্থ = 16 মিটার

দৈর্ঘ্য = $2 \times 16 = 32$ মিটার

আয়তাকারক্ষেত্রের পরিসীমা = $2 \times (\text{দৈর্ঘ্য} + \text{প্রস্থ})$

$= 2 \times (32 + 16)$
$= 2 \times 48$
$= 96$ মিটার

উত্তর: আয়তাকারক্ষেত্রের পরিসীমা 96 মিটার।


২. একটি জমির দৈর্ঘ্য 80 মিটার এবং প্রস্থ 60 মিটার। ঐ জমির মাঝে একটি পুকুর খনন করা হলো। যদি পুকুরের প্রত্যেক পাড়ের বিস্তার 4 মিটার হয়, তবে পুকুরের ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।

সমাধান:

জমির দৈর্ঘ্য = 80 মিটার

জমির প্রস্থ = 60 মিটার

জমির ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য $\times$ প্রস্থ

$= 80 \times 60$
$= 4800$ বর্গমিটার

পুকুরের প্রত্যেক পাড়ের বিস্তার = 4 মিটার।

পুকুরটি জমির মাঝে খনন করা হয়েছে, তাই পাড় বাদ দিলে পুকুরের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ পাওয়া যাবে।

পুকুরের দৈর্ঘ্য = জমির দৈর্ঘ্য - $2 \times \text{পাড়ের বিস্তার}$

$= 80 - (2 \times 4)$
$= 80 - 8$
$= 72$ মিটার

পুকুরের প্রস্থ = জমির প্রস্থ - $2 \times \text{পাড়ের বিস্তার}$

$= 60 - (2 \times 4)$
$= 60 - 8$
$= 52$ মিটার

পুকুরের ক্ষেত্রফল = পুকুরের দৈর্ঘ্য $\times$ পুকুরের প্রস্থ

$= 72 \times 52$
$= 3744$ বর্গমিটার

উত্তর: পুকুরের ক্ষেত্রফল 3744 বর্গমিটার।


৩. একটি বাগানের দৈর্ঘ্য 40 মিটার এবং প্রস্থ 30 মিটার। বাগানের ভিতরে সমান পাড় বিশিষ্ট একটি পুকুর আছে। পুকুরের ক্ষেত্রফল বাগানের ক্ষেত্রফলের $\frac{1}{2}$ অংশ হলে, পুকুরের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ণয় কর।

সমাধান:

বাগানের দৈর্ঘ্য = 40 মিটার

বাগানের প্রস্থ = 30 মিটার

বাগানের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য $\times$ প্রস্থ

$= 40 \times 30$
$= 1200$ বর্গমিটার

পুকুরের ক্ষেত্রফল = বাগানের ক্ষেত্রফলের $\frac{1}{2}$ অংশ

$= 1200 \times \frac{1}{2}$
$= 600$ বর্গমিটার

ধরি, পুকুরের পাড়ের বিস্তার = $x$ মিটার।

তাহলে, পুকুরের দৈর্ঘ্য = বাগানের দৈর্ঘ্য - $2 \times \text{পাড়ের বিস্তার}$

$= (40 - 2x)$ মিটার

পুকুরের প্রস্থ = বাগানের প্রস্থ - $2 \times \text{পাড়ের বিস্তার}$

$= (30 - 2x)$ মিটার

পুকুরের ক্ষেত্রফল = পুকুরের দৈর্ঘ্য $\times$ পুকুরের প্রস্থ

$(40 - 2x)(30 - 2x) = 600$
$1200 - 80x - 60x + 4x^2 = 600$
$4x^2 - 140x + 1200 - 600 = 0$
$4x^2 - 140x + 600 = 0$

উভয়পক্ষকে 4 দ্বারা ভাগ করে পাই,

$x^2 - 35x + 150 = 0$

মধ্যপদ বিশ্লেষণ করে পাই:

$x^2 - 30x - 5x + 150 = 0$
$x(x - 30) - 5(x - 30) = 0$
$(x - 30)(x - 5) = 0$

হয় $x - 30 = 0$ অথবা $x - 5 = 0$

$x = 30$ অথবা $x = 5$

যদি পাড়ের বিস্তার $x = 30$ হয়, তবে পুকুরের প্রস্থ $30 - 2 \times 30 = 30 - 60 = -30$ মিটার হবে, যা সম্ভব নয়।

সুতরাং, পাড়ের বিস্তার $x = 5$ মিটার।

পুকুরের দৈর্ঘ্য = $40 - (2 \times 5) = 40 - 10 = 30$ মিটার

পুকুরের প্রস্থ = $30 - (2 \times 5) = 30 - 10 = 20$ মিটার

উত্তর: পুকুরের দৈর্ঘ্য 30 মিটার এবং প্রস্থ 20 মিটার।


৪. একটি বর্গাকার মাঠের বাইরে চারদিকে 5 মিটার চওড়া একটি রাস্তা আছে। রাস্তার ক্ষেত্রফল 500 বর্গমিটার হলে, মাঠের ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।

সমাধান:

ধরি, বর্গাকার মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = $a$ মিটার।

মাঠের ক্ষেত্রফল = $a^2$ বর্গমিটার।

রাস্তার বিস্তার = 5 মিটার।

রাস্তাসহ মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = $a + (2 \times 5)$

$= (a + 10)$ মিটার।

রাস্তাসহ মাঠের ক্ষেত্রফল = $(a + 10)^2$ বর্গমিটার।

রাস্তার ক্ষেত্রফল = (রাস্তাসহ মাঠের ক্ষেত্রফল) - (মাঠের ক্ষেত্রফল)

প্রশ্নমতে, $(a + 10)^2 - a^2 = 500$
$a^2 + 2 \times a \times 10 + 10^2 - a^2 = 500$
$a^2 + 20a + 100 - a^2 = 500$
$20a + 100 = 500$
$20a = 500 - 100$
$20a = 400$
$a = \frac{400}{20}$
$a = 20$

সুতরাং, মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 20 মিটার।

মাঠের ক্ষেত্রফল = $a^2 = 20^2 = 400$ বর্গমিটার।

উত্তর: মাঠের ক্ষেত্রফল 400 বর্গমিটার।


৫. একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমার সমান। আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিনগুণ এবং ক্ষেত্রফল 768 বর্গমিটার। প্রতি 40 সে.মি. বর্গাকার পাথর দিয়ে বর্গক্ষেত্রটি বাঁধাতে মোট কয়টি পাথর লাগবে?

সমাধান:

ধাপ ১: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ণয়

ধরি, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = $x$ মিটার।

দৈর্ঘ্য = $3x$ মিটার।

আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য $\times$ প্রস্থ

প্রশ্নমতে, $3x \times x = 768$
$3x^2 = 768$
$x^2 = \frac{768}{3}$
$x^2 = 256$
$x = \sqrt{256}$
$x = 16$

সুতরাং, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = 16 মিটার

আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য = $3 \times 16 = 48$ মিটার

ধাপ ২: আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা নির্ণয়

আয়তক্ষেত্রটির পরিসীমা = $2 \times (\text{দৈর্ঘ্য} + \text{প্রস্থ})$

$= 2 \times (48 + 16)$
$= 2 \times 64$
$= 128$ মিটার

ধাপ ৩: বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য এবং ক্ষেত্রফল নির্ণয়

প্রশ্নমতে, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 128 মিটার।

বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = $4 \times \text{এক বাহুর দৈর্ঘ্য}$

ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = $b$ মিটার।

$4b = 128$
$b = \frac{128}{4}$
$b = 32$ মিটার

বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = $b^2 = 32^2 = 1024$ বর্গমিটার।

ধাপ ৪: পাথরের সংখ্যা নির্ণয়

পাথরের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 40 সে.মি.

মিটার এককে প্রকাশ করলে, 40 সে.মি. = $\frac{40}{100}$ মিটার = 0.4 মিটার।

একটি পাথরের ক্ষেত্রফল = $(0.4)^2 = 0.16$ বর্গমিটার।

মোট পাথরের সংখ্যা = $\frac{\text{বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল}}{\text{একটি পাথরের ক্ষেত্রফল}}$

$= \frac{1024}{0.16}$
$= \frac{1024}{\frac{16}{100}}$
$= 1024 \times \frac{100}{16}$
$= 64 \times 100$
$= 6400$ টি

উত্তর: মোট 6400 টি পাথর লাগবে।


৬. একটি আয়তাকারক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল 160 বর্গমিটার। যদি এর দৈর্ঘ্য 6 মিটার কম হয়, তবে ক্ষেত্রটি বর্গাকার হয়। আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ণয় কর।

সমাধান:

ধরি, আয়তাকারক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = $L$ মিটার এবং প্রস্থ = $W$ মিটার।

প্রশ্নমতে, ক্ষেত্রফল $L \times W = 160$ ------ (i)

যদি দৈর্ঘ্য 6 মিটার কম হয়, তবে ক্ষেত্রটি বর্গাকার হয়।

তার মানে, পরিবর্তিত দৈর্ঘ্য = প্রস্থ

$L - 6 = W$ ------ (ii)

এখন (ii) নং সমীকরণ থেকে $W$ এর মান (i) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই:

$L \times (L - 6) = 160$
$L^2 - 6L = 160$
$L^2 - 6L - 160 = 0$

মধ্যপদ বিশ্লেষণ করে পাই:

$L^2 - 16L + 10L - 160 = 0$
$L(L - 16) + 10(L - 16) = 0$
$(L - 16)(L + 10) = 0$

হয় $L - 16 = 0$ অথবা $L + 10 = 0$

$L = 16$ অথবা $L = -10$

দৈর্ঘ্য ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই $L = 16$ মিটার।

এখন $L$ এর মান (ii) নং সমীকরণে বসিয়ে $W$ এর মান পাই:

$W = L - 6$
$W = 16 - 6$
$W = 10$ মিটার

উত্তর: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 16 মিটার এবং প্রস্থ 10 মিটার।

গণিত সমস্যার সমাধান - জ্যামিতি ও পরিমাপ
<।


অনুশীলনী-১৬.২

৯. একটি সামান্তরিকের ভূমি উচ্চতার $\frac{3}{4}$ অংশ এবং ক্ষেত্রফল 363 বর্গমিটার হলে, ক্ষেত্রটি ভূমি ও উচ্চতা নির্ণয় কর।

সমাধান:

ধরি, সামান্তরিকের উচ্চতা = $h$ মিটার।

তাহলে, সামান্তরিকের ভূমি = $\frac{3}{4}h$ মিটার।

সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি $\times$ উচ্চতা

প্রশ্নমতে, $\frac{3}{4}h \times h = 363$
$\frac{3}{4}h^2 = 363$
$3h^2 = 363 \times 4$
$3h^2 = 1452$
$h^2 = \frac{1452}{3}$
$h^2 = 484$
$h = \sqrt{484}$
$h = 22$

সুতরাং, উচ্চতা = 22 মিটার।

ভূমি = $\frac{3}{4} \times 22 = \frac{66}{4} = 16.5$ মিটার।

উত্তর: সামান্তরিকের ভূমি 16.5 মিটার এবং উচ্চতা 22 মিটার।


১০. একটি সামান্তরিকক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল একটি বর্গক্ষেত্রের সমান। সামান্তরিকের ভূমি 125 মিটার এবং উচ্চতা 5 মিটার হলে, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য নির্ণয় কর।

সমাধান:

সামান্তরিকের ভূমি = 125 মিটার

সামান্তরিকের উচ্চতা = 5 মিটার

সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি $\times$ উচ্চতা

$= 125 \times 5$
$= 625$ বর্গমিটার

প্রশ্নমতে, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = 625 বর্গমিটার।

ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = $a$ মিটার।

বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = $a^2$

$a^2 = 625$
$a = \sqrt{625}$
$a = 25$

সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 25 মিটার।

বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = $\sqrt{2} \times \text{এক বাহুর দৈর্ঘ্য}$

$= \sqrt{2} \times 25$
$= 25\sqrt{2}$ মিটার

প্রায়, $25 \times 1.414 = 35.35$ মিটার।

উত্তর: বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য $25\sqrt{2}$ মিটার (প্রায় 35.35 মিটার)।


১১. একটি সামান্তরিকের বাহুর দৈর্ঘ্য 30 সে.মি. এবং 26 সে.মি.। এর ক্ষুদ্রতম কর্ণটি 28 সে.মি. হলে অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য নির্ণয় কর।

সমাধান:

ধরি, সামান্তরিকের বাহুগুলো হলো $a = 30$ সে.মি. এবং $b = 26$ সে.মি.।

ক্ষুদ্রতম কর্ণ $d_1 = 28$ সে.মি.।

অপর কর্ণটি $d_2$ নির্ণয় করতে হবে।

সামান্তরিকের কর্ণের দৈর্ঘ্যের সূত্রটি হলো:

$2(a^2 + b^2) = d_1^2 + d_2^2$

মান বসিয়ে পাই:

$2(30^2 + 26^2) = 28^2 + d_2^2$
$2(900 + 676) = 784 + d_2^2$
$2(1576) = 784 + d_2^2$
$3152 = 784 + d_2^2$
$d_2^2 = 3152 - 784$
$d_2^2 = 2368$
$d_2 = \sqrt{2368}$
$d_2 \approx 48.66$

উত্তর: অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য প্রায় 48.66 সে.মি.।


১২. একটি রম্বসের পরিসীমা 180 সে.মি. এবং এর ক্ষুদ্রতম কর্ণটি 54 সে.মি.। এর অপর কর্ণ এবং ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।

সমাধান:

ধাপ ১: রম্বসের বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয়

রম্বসের পরিসীমা = 180 সে.মি.।

রম্বসের চারটি বাহু সমান, তাই রম্বসের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = $\frac{\text{পরিসীমা}}{4}$

$= \frac{180}{4} = 45$ সে.মি.।

ধাপ ২: অপর কর্ণ নির্ণয়

রম্বসের কর্ণগুলো পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।

ধরি, রম্বসের বাহুর দৈর্ঘ্য $a = 45$ সে.মি.।

ক্ষুদ্রতম কর্ণ $d_1 = 54$ সে.মি.।

তাহলে, ক্ষুদ্রতম কর্ণের অর্ধেক $\frac{d_1}{2} = \frac{54}{2} = 27$ সে.মি.।

ধরি, অপর কর্ণ $d_2$।

তাহলে, অপর কর্ণের অর্ধেক $\frac{d_2}{2}$।

রম্বসের একটি সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে:

$a^2 = (\frac{d_1}{2})^2 + (\frac{d_2}{2})^2$
$45^2 = 27^2 + (\frac{d_2}{2})^2$
$2025 = 729 + (\frac{d_2}{2})^2$
$(\frac{d_2}{2})^2 = 2025 - 729$
$(\frac{d_2}{2})^2 = 1296$
$\frac{d_2}{2} = \sqrt{1296}$
$\frac{d_2}{2} = 36$
$d_2 = 36 \times 2 = 72$ সে.মি.।

সুতরাং, অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = 72 সে.মি.।

ধাপ ৩: রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয়

রম্বসের ক্ষেত্রফল = $\frac{1}{2} \times d_1 \times d_2$

$= \frac{1}{2} \times 54 \times 72$
$= 27 \times 72$
$= 1944$ বর্গ সে.মি.।

উত্তর: রম্বসের অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য 72 সে.মি. এবং ক্ষেত্রফল 1944 বর্গ সে.মি.।


১৩. একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহু দুইটির দৈর্ঘ্যের অন্তর 8 সে.মি. এবং এদের লম্ব দূরত্ব 24 সে.মি.। যদি ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল 312 বর্গ সে.মি. হয় তবে বাহু দুইটির দৈর্ঘ্য নির্ণয় কর।

সমাধান:

ধরি, ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহু দুটি হলো $a$ সে.মি. এবং $b$ সে.মি.।

ধরি, $a > b$।

সমান্তরাল বাহু দুইটির দৈর্ঘ্যের অন্তর = $a - b = 8$ সে.মি. ------ (i)

লম্ব দূরত্ব (উচ্চতা) $h = 24$ সে.মি.।

ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = 312 বর্গ সে.মি.।

ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফলের সূত্র: $\frac{1}{2} \times (\text{সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল}) \times \text{উচ্চতা}$

প্রশ্নমতে, $\frac{1}{2} \times (a + b) \times h = 312$
$\frac{1}{2} \times (a + b) \times 24 = 312$
$12 \times (a + b) = 312$
$a + b = \frac{312}{12}$
$a + b = 26$ সে.মি. ------ (ii)

এখন (i) ও (ii) নং সমীকরণ যোগ করে পাই:

$(a - b) + (a + b) = 8 + 26$
$2a = 34$
$a = \frac{34}{2}$
$a = 17$

$a$ এর মান (ii) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই:

$17 + b = 26$
$b = 26 - 17$
$b = 9$

উত্তর: ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহু দুইটির দৈর্ঘ্য 17 সে.মি. এবং 9 সে.মি.।


১৪. একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 10 সে.মি. ও 12 সে.মি.। এর ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।

সমাধান:

আপনার দেওয়া ছবিতে এই প্রশ্নের জন্য উচ্চতা বা অন্য কোনো তথ্য দেওয়া নেই, যা ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য অপরিহার্য। ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য এবং তাদের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব (উচ্চতা) প্রয়োজন।

যদি প্রশ্নটি অসম্পূর্ণ হয়, তবে এটি সমাধান করা সম্ভব নয়। যদি উচ্চতা দেওয়া থাকত, তবে নিচের সূত্র ব্যবহার করা যেত:

ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = $\frac{1}{2} \times (\text{সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল}) \times \text{উচ্চতা}$

ধরি, সমান্তরাল বাহুদ্বয় $a = 10$ সে.মি. এবং $b = 12$ সে.মি.।

যদি উচ্চতা $h$ সে.মি. দেওয়া থাকত, তাহলে ক্ষেত্রফল হতো:

ক্ষেত্রফল = $\frac{1}{2} \times (10 + 12) \times h$
$= \frac{1}{2} \times 22 \times h$
$= 11h$ বর্গ সে.মি.।

এই প্রশ্নের জন্য অতিরিক্ত তথ্যের প্রয়োজন।


১৫. একটি সুষম ষড়ভুজের কেন্দ্র থেকে কৌণিক বিন্দুর দূরত্ব 1.5 মিটার হলে, এর ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।

সমাধান:

সুষম ষড়ভুজের কেন্দ্র থেকে কৌণিক বিন্দুর দূরত্ব মানে হলো এর প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য।

কারণ, একটি সুষম ষড়ভুজ ছয়টি সমবাহু ত্রিভুজ দ্বারা গঠিত হয়, যাদের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ষড়ভুজের কেন্দ্র থেকে কৌণিক বিন্দুর দূরত্বের সমান।

সুতরাং, সুষম ষড়ভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য $a = 1.5$ মিটার।

সুষম ষড়ভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র: $6 \times \frac{\sqrt{3}}{4} \times a^2$

$= 6 \times \frac{\sqrt{3}}{4} \times (1.5)^2$
$= 6 \times \frac{\sqrt{3}}{4} \times 2.25$
$= 6 \times 0.4330127 \times 2.25$ (যেহেতু $\sqrt{3} \approx 1.73205$)
$= 6 \times 0.4330127 \times 2.25$
$= 6 \times 0.974278575$
$= 5.84567145$ বর্গমিটার (প্রায়)

উত্তর: সুষম ষড়ভুজের ক্ষেত্রফল প্রায় 5.85 বর্গমিটার।


১৬. আয়তাকার একটি ফুলের বাগানের দৈর্ঘ্য 150 মিটার এবং প্রস্থ 100 মিটার। বাগানটিতে পরিচর্যা করার জন্য ঠিক মাঝ দিয়ে 3 মিটার চওড়া দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বরাবর রাস্তা আছে।

ক) উপরের তথ্যটি চিত্রের সাহায্যে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:

একটি আয়তাকার ফুলের বাগান আছে যার দৈর্ঘ্য 150 মিটার এবং প্রস্থ 100 মিটার। বাগানের ঠিক মাঝখান দিয়ে দৈর্ঘ্য বরাবর একটি 3 মিটার চওড়া রাস্তা এবং প্রস্থ বরাবর একটি 3 মিটার চওড়া রাস্তা গেছে। রাস্তা দুটি বাগানের কেন্দ্রে পরস্পরকে ছেদ করেছে।

খ) রাস্তার ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।

বাগানের দৈর্ঘ্য $L = 150$ মিটার

বাগানের প্রস্থ $W = 100$ মিটার

রাস্তার চওড়া $w = 3$ মিটার

দৈর্ঘ্য বরাবর রাস্তার ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য $\times$ চওড়া

$= 150 \times 3 = 450$ বর্গমিটার

প্রস্থ বরাবর রাস্তার ক্ষেত্রফল = প্রস্থ $\times$ চওড়া

$= 100 \times 3 = 300$ বর্গমিটার

রাস্তা দুটি মাঝখানে ছেদ করার কারণে একটি বর্গাকার অংশ (3 মিটার $\times$ 3 মিটার) দুবার গণনা করা হয়েছে।

ছেদকারী অংশের ক্ষেত্রফল = $3 \times 3 = 9$ বর্গমিটার।

মোট রাস্তার ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য বরাবর রাস্তার ক্ষেত্রফল) + (প্রস্থ বরাবর রাস্তার ক্ষেত্রফল) - (ছেদকারী অংশের ক্ষেত্রফল)

$= 450 + 300 - 9$
$= 750 - 9$
$= 741$ বর্গমিটার

উত্তর: রাস্তার ক্ষেত্রফল 741 বর্গমিটার।

গ) রাস্তাটি পাকা করতে 25 সে.মি. দৈর্ঘ্য এবং 12.5 সে.মি. প্রস্থবিশিষ্ট কয়টি ইটের প্রয়োজন হবে?

রাস্তার ক্ষেত্রফল = 741 বর্গমিটার।

একটি ইটের দৈর্ঘ্য = 25 সে.মি. = $\frac{25}{100}$ মিটার = 0.25 মিটার।

একটি ইটের প্রস্থ = 12.5 সে.মি. = $\frac{12.5}{100}$ মিটার = 0.125 মিটার।

একটি ইটের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য $\times$ প্রস্থ

$= 0.25 \times 0.125$
$= 0.03125$ বর্গমিটার।

মোট ইটের সংখ্যা = $\frac{\text{রাস্তার ক্ষেত্রফল}}{\text{একটি ইটের ক্ষেত্রফল}}$

$= \frac{741}{0.03125}$
$= 23712$ টি

উত্তর: রাস্তাটি পাকা করতে 23712 টি ইটের প্রয়োজন হবে।


১৭. নিচের চিত্রের তথ্য থেকে বহুভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয় কর।

সমাধান:

প্রদত্ত চিত্রটি একটি ট্রাপিজিয়াম।

সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য: $a = 12$ সে.মি. এবং $b = 22$ সে.মি.।

সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব (উচ্চতা) $h = 20$ সে.মি.। (চিত্রে উল্লম্ব রেখাটি উচ্চতা নির্দেশ করছে)।

ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফলের সূত্র: $\frac{1}{2} \times (\text{সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল}) \times \text{উচ্চতা}$

$= \frac{1}{2} \times (12 + 22) \times 20$
$= \frac{1}{2} \times 34 \times 20$
$= 17 \times 20$
$= 340$ বর্গ সে.মি.।

উত্তর: বহুভুজের (ট্রাপিজিয়ামের) ক্ষেত্রফল 340 বর্গ সে.মি.।

মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫

My Reading Room Paragraph for Class 7 | বাংলা অর্থসহ প্যারাগ্রাফ

📘 Paragraph: My Reading Room (Within 100 Words)

My reading room is small but beautiful. It is in the quiet corner of our house. There is a table, a chair, a bookshelf, and a calendar on the wall. I keep my books, pens, and other study materials on the table. There are two windows and a door, so air and light can come easily. I decorate it with flowers and posters. It is always neat and clean. I spend most of my study time here. I read books, write notes, and prepare for exams in this room. I love my reading room very much.

📜 বাংলা অনুবাদ:

আমার পড়ার ঘর ছোট কিন্তু সুন্দর। এটি আমাদের বাড়ির শান্ত এক কোণে অবস্থিত। ঘরে একটি টেবিল, একটি চেয়ার, একটি বইয়ের তাক ও দেয়ালে একটি ক্যালেন্ডার আছে। আমি আমার বই, কলম ও অন্যান্য পড়ার জিনিস টেবিলে রাখি। ঘরে দুটি জানালা ও একটি দরজা আছে, তাই আলো ও বাতাস সহজে ঢুকে পড়ে। আমি ফুল ও পোস্টার দিয়ে ঘরটি সাজাই। এটি সবসময় পরিষ্কার ও গোছানো থাকে। আমি আমার বেশিরভাগ সময় এই ঘরে পড়াশোনা করি। এখানে আমি বই পড়ি, নোট লিখি ও পরীক্ষার প্রস্তুতি নেই। আমি আমার পড়ার ঘর খুব ভালোবাসি।

🔢 Total Words: 96 | 📚 Level: Class 6–8 | ✍️ Use: Exam & Blog

সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

Magazine Paragraph

Paragraph: Magazine

A magazine (একটি ম্যাগাজিন) is a collection of stories, poems, articles, and pictures published in printed or digital form. (গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ ও ছবি নিয়ে গঠিত একটি মুদ্রিত বা ডিজিটাল প্রকাশনা।)

School magazines (স্কুল ম্যাগাজিন) are usually published once a year. (সাধারণত বছরে একবার প্রকাশিত হয়।)

They contain writings by students and teachers. (এতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের লেখা থাকে।)

A school magazine gives students the chance to show their creativity. (এটি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ দেয়।)

They can write about their thoughts, dreams, and real-life experiences. (তারা তাদের চিন্তা, স্বপ্ন ও বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখতে পারে।)

It helps students develop their writing skills and grow confidence. (এটি শিক্ষার্থীদের লেখার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে।)

Reading a magazine is also fun and enjoyable. (ম্যাগাজিন পড়া মজাদার ও উপভোগ্য।)

A good school magazine reflects the talent and spirit of a school. (একটি ভালো স্কুল ম্যাগাজিন স্কুলের প্রতিভা ও মনোবল প্রকাশ করে।)

গাজওয়াতুল হিন্দ — অর্থ, হাদিস ও আধুনিক ব্যাখ্যা | জানারখীল মাধ্যম গাজওয়াতুল হিন্দ — অর্থ, হাদিস ও আধুনিক ব্যাখ্যা...